তারা আর যাইহোক স্বাধীনতার স্বপক্ষীয় হতে পারেনা-একেএম বেলায়েত হোসেন।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সাতই মার্চের স্মৃতি রক্ষা প্রকল্পের যারা বিরোধিতা করছে তারা আর যাইহোক স্বাধীনতার স্বপক্ষীয় হতে পারেনা।
সমুদ্র গামী জাহাজের নাবিক নুরু চাচা। চায়ের দোকানে আড্ডায় বসেছিল। জাহাজের সইন (চাকুরির এক মেয়াদ)শেষ করে দেশে ফিরেছে। জাহাজে পৃথিবীর সব দেশ ভ্রমণের কথা বলতেছিল।গ্রামের মানুষ খুব মনযোগ দিয়ে তার কথা শুনছিল। সে হঠাৎ বলল পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর স্থান হল "আমটা ডাম"। শ্রোতাদের একজন আবদুল। গ্রামের স্কুল থেকে সাত ক্লাশ পাশ দিয়েছে। আবদুল বলল আমি ভুগোল
পড়েছি। আমটা ডাম নামে কোন দেশের নামতো দেখিনি। নুরু চাচা বলল,শুন আবদুল তুমি যে ভুগোলের কথা বললে ঐ ভুগোলেও আমরা জাহাজ নিয়ে দুই দিন ছিলাম।
আমাদের দেশের কিছু বাচাল বুদ্ধিজীবী আছেন যারা যেটা শুনে সেটারই এক্সপার্ট হিসেবে জাহির করার চেষ্টা করেন। এদের কার্য ধ্বংস ডেকে আনে। এরা নুরু চাচার স্বগোত্রীয়।
আমাদের বাংলাদেশে কিছু লোক আছে।অর্থনীতি বা আইন বিষয়ের উপর পড়াশোনা করেছে। চাকরি বাকরি করে। খায় দায় ভাল। আপেলের মত টসটসে চেহারা। তারা সর্ববিষয়ে জ্ঞানী। এরা অর্থনীতি বা আইনের ছাত্র। স্ব স্ব সাবজেক্ট নিয়ে
কথা বলেন কম। তারা সরকার বিরোধী বিস্ময়কর কর্মকাণ্ডে লিপ্ত।
প্রকারান্তরে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত করার নিজস্ব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অকৌশল নিয়ে ব্যস্ত। এরা পরিবেশ রক্ষার নামে রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মান বন্ধ করার জন্য আন্দোলন করছিল। পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব
সারা বিশ্বের কাছে যথাযথভাবে বুঝাতে সক্ষম হয়েছিলেন।
আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। তাই বিশ্ব পরিবেশ সন্মেলনে তাকে " মাদার অব -- আর্থ" উপাধিতে ভুষিত করেছেন। জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ
মুজিব ১৯৭৪ সালে পরিবেশ রক্ষার জন্য সমস্ত খালি জায়গায় গাছ লাগানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তখনও বিশ্বের অন্য কোন রাষ্ট্র প্রধান বিষয়টি অনুধাবন করতেও পারেননি।
আজকালকার রাস্তা ঘাটের এসব নাবালক পরিবেশবাদীরা তখনও রাস্তার শিশু। এরা অর্থনীতি ও আই-ছাত্র নিজ এরিয়া নিয়ে কথা বলতে পারেনা। এদের কোন বাস্তব লেখা পড়া নেই। তাই নিজেদের জনপ্রিয় করার জন্য
রাস্তায় থেকে বাঘ ভালুক মারার পথ বেচে নিয়েছে।
স্বাধীন - তার স্মৃতি চিহ্ন মুছে ফেলার ষড়যন্ত্রের অংশ তারা। এরা সরকারের যেকোনো উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিরোধী। এরা স্বাধীনতা বিরোধী জামাত-শিবির ও মামুনুল হকদের এজেণ্ডা
বাস্তবায়নের এজেন্সি নিয়েছে।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সাতই মার্চের স্মৃতি রক্ষা প্রকল্পের যারা বিরোধিতা করছে তারা আর যাইহোক স্বাধীনতার স্বপক্ষীয় হতে পারেনা। এদেরকে নিজনিজ এরিয়ায় প্রবেশ করিয়ে দিতে হবে। রাস্তায় প্রলাপ বকে নিজেদের জাহির করা থেকে বিরত করতে হবে। নিজেদের এরিয়ার বাইরে অনধিকার চর্চা করতে দেয়া যাবেনা।দেবনা দেবনা দেবনা।
এ কে এম বেলায়েত হোসেন
উপদেষ্টা চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ।




No comments